নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নে পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে এক শ্বশুরের চলে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তি ও তাঁর পুত্রবধূর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেলাল হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেনের সঙ্গে রাবেয়া খাতুনের বিয়ে হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে। তাঁদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরিফ হোসেনের মৃত্যু হয়।
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, আরিফের মৃত্যুর পর রাবেয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা হয়। একপর্যায়ে হেলাল হোসেন তাঁর পুত্রবধূকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে বিরোধও তৈরি হয়।
স্বজনরা আরও জানান, নাতির সঙ্গে দেখা করার কথা বলে হেলাল নিয়মিত রাবেয়ার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এ নিয়ে রাবেয়ার ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর বিরোধের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ১৬ আগস্ট হেলাল হোসেন রাবেয়া খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান স্বজনরা।
অন্যদিকে হেলালের ছোট ভাইয়ের বক্তব্য, হেলাল ফোনে তাঁকে জানিয়েছেন যে রাবেয়াকে তিনি বিয়ে করেননি। পিতৃহীন নাতির ভবিষ্যৎ বিবেচনা করেই তিনি পুত্রবধূকে আশ্রয় দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন হেলাল।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তবে হেলাল ও রাবেয়া বর্তমানে কোথায় রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে বিয়ের ঘটনা ঘটেছে কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বর্তমান অবস্থান জানতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে।
নোয়াখালী খবর এক্সপ্রেস
সত্যের সন্ধানে অবিচল












Leave a Reply