সংঘর্ষের পর চালককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল; তরুণীর আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা
সড়কে একটি সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষের পর এক তরুণী সিএনজি চালককে মারধর করছেন—এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
ভিডিওতে দেখা যায়, সংঘর্ষের পর ওই তরুণী সিএনজি চালকের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করছেন এবং একপর্যায়ে তাকে আঘাত করছেন বলে দেখা যায়। এ সময় চালককে পাল্টা আঘাত করতে দেখা যায়নি।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই তরুণী অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে যাচ্ছিলেন এবং তার সঙ্গে ছিলেন দুই বোন। এ সময় ব্রেকের সমস্যার কারণে সিএনজিটি তাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
ভিডিওর একপর্যায়ে তরুণীকে চালকের উদ্দেশে কিডনি খুলে নেওয়ার মতো হুমকিমূলক কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ ওই তরুণীর আচরণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—কোনো চালকের ভুল হয়ে থাকলেও তাকে প্রকাশ্যে মারধর বা হুমকি দেওয়ার অধিকার কি কারও রয়েছে?
অন্যায় হয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পুলিশে অভিযোগ করা, ঘটনার ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়াই নিয়মতান্ত্রিক পথ।
অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই করতে হবে। তবে সেই প্রতিবাদ যেন আরেকটি অন্যায়ে পরিণত না হয়—এ বিষয়টিও আমাদের মনে রাখা জরুরি।
কারণ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যদি স্বাভাবিক হয়ে যায়, তাহলে সমাজে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?
অন্যায়ের প্রতিবাদ হোক, কিন্তু বিচার হোক আইনের মাধ্যমে।
নোয়াখালী খবর এক্সপ্রেস
সত্যের সন্ধানে অবিচল












Leave a Reply